৪ অক্টোবর ২০২৬

এলপিজির মূল্য জনগণের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাবে : বাংলাদেশ ন্যাপ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
এলপিজির মূল্য জনগণের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাবে : বাংলাদেশ ন্যাপ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  এক লাফে এলপিজির মূল্য ২৫২ টাকা বৃদ্ধি জনস্বার্থ পরিপন্থি। এলপিজি'র মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিবে এবং এটি জনস্বার্থে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ শীর্ষ নেতৃদ্বয় সরকারের এমন সিদ্ধান্তের গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করে বলেছেন, সরকারের এ অন্যায় ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের ফলে দরিদ্র জনগণের ভোগান্তি ও দুঃখ-কষ্ট আরও বৃদ্ধি পাবে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সরকারী এই সিদ্ধান্ত জনস্বার্থ বিরোধী ও ‘বোঝার ওপর শাকের আঁটি’। এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে। আর সাধারণ মানুষের এ দুর্ভোগের সব দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। এভাবে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তই প্রমাণ করে এই সরকার জনগণের নয়, লুটেরাগোষ্টির স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত।
তারা বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে দরিদ্র জনগণের জীবনধারণ অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এলপিজি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দরিদ্র জনগণের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি পেল। এমন সিদ্ধান্ত সীমিত আয়ের দরিদ্র জনগণের ওপর ‘বোঝার ওপর শাকের আঁটি’ চাপিয়ে দেওয়ার শামিল। এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সরকারের অবশ্যই সীমিত আয়ের দরিদ্র জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করা উচিত ছিল।’ নেতৃদ্বয় বলেন,  যেখানে স্বয়ং সরকারি সংস্থাই বলছে, বড় জাহাজে করে গ্যাস আনা গেলে সিলিন্ডার প্রতি ৩০০-৪০০ টাকা কম রাখা সম্ভব। সেখানে আবারও বিইআরসির মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়ে সরকার ব্যবসায়ীদের অনৈতিক ও অতিরিক্ত মুনাফার সুযোগ করে দিলো। যথাযথভাবে গ্যাস উত্তোলন করে সরকারি উদ্যোগে সাশ্রয়ী দামে ঘরে ঘরে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। কিন্তু সরকার সেই পথে না হেঁটে, জনগণের স্বার্থের বিপরীতে লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষার পথে হাঁটছে।
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি