৬ নভেম্বর ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ: জাতিসংঘ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ এএম
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ: জাতিসংঘ

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে খরা, বন্যা ও তীব্র তাপপ্রবাহের ঝুঁকিতে পড়েছেন বিশ্বের প্রায় ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এমনটাই জানিয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, বিশ্বের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এমন দেশগুলোতে বসবাস করছেন, যেখানে জলবায়ুজনিত দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এতে তাদের জীবন-জীবিকা যেমন হুমকির মুখে পড়ছে, তেমনি নিজ দেশে ফিরে গেলেও আবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু তহবিল বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইউএনএইচসিআর’র এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো দেশে বসবাস করছেন, যেগুলো জলবায়ু পরিবর্তনজনিত গুরুতর ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তুরস্কের আনতালিয়ায় জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলন কপ-৩১ শুরুর আগে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি ও জলবায়ু পরিবর্তনের মধ্যকার যোগসূত্র তুলে ধরা হয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের সহকারী হাইকমিশনার (অপারেশনস) আন্তন লেইস গার্সিয়া বলেন, ‘সংঘাতপ্রবণ ও বাস্তুচ্যুত মানুষের বসবাস রয়েছে—এমন এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়া এখন বেঁচে থাকার বা অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘যেসব জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তাদের কাছে জলবায়ু তহবিলের অর্থ পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।’


প্রতিবেদনে সুদানের এক শরণার্থীর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৩ সালের জুনে আল-ফাশিরে সংঘাতের কারণে পালিয়ে তিনি চাদের পূর্বাঞ্চলীয় ফারচানা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন। ওই শরণার্থী জানান, কখনো কখনো নিরাপদ পানির সন্ধান না পেয়ে তাকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। আশপাশের মৌসুমি নদীখাতগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় বিকল্প পানির উৎস খুঁজতে তাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি দূর হাঁটতে হচ্ছে। তীব্র গরমে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি