৩১ অক্টোবর ২০২৬

শহিদ কাপুরের স্ত্রী মীরা এবার কারিনার অনুষ্ঠানে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩০ এএম
শহিদ কাপুরের স্ত্রী মীরা এবার কারিনার অনুষ্ঠানে

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের চ্যাট শো ‘হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট’-এ অতিথি হয়ে এসেছেন শহিদ কাপুরের স্ত্রী মীরা রাজপুত। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রকাশিত অনুষ্ঠানের ষষ্ঠ মৌসুমের একটি পর্বে দুজনের আড্ডায় উঠে এসেছে সংসার, দাম্পত্য জীবন ও ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গ।

বিশেষ করে মীরার তৃতীয় সন্তান নেওয়ার গুঞ্জন এবং কারিনার ‘ওয়ান্নাবি বলিউড ওয়াইফ’ মন্তব্য নিয়ে তৈরি হয়েছে আগ্রহ।

শোয়ের একটি প্রোমোতে কারিনা মীরার কাছে জানতে চান, তাকে নিয়ে শোনা সবচেয়ে হাস্যকর গুঞ্জন কোনটি। উত্তরে মীরা জানান, শহিদ ও তার তৃতীয় সন্তান আসার খবরই সবচেয়ে হাস্যকর গুঞ্জন। এ সময় কারিনা মজা করে জানতে চান, সত্যিই কি তেমন কিছু হতে পারে? মীরা সরাসরি বলেন, ‘কোনোভাবেই না, আমাদের আর সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

আড্ডার একপর্যায়ে মীরা কারিনাকে বলিউড তারকা বলে প্রশংসা করেন। জবাবে কারিনা নিজেকে ‘ওয়ান্নাবি বলিউড ওয়াইফ’ বলে উল্লেখ করেন। তার এমন মন্তব্যে হাসির পরিবেশ তৈরি হয়।

দাম্পত্য জীবনের ছোটখাটো বিষয় নিয়েও কথা বলেন তারা।

মীরা জানান, তার কয়েকজন বান্ধবীর স্বামীরা স্ত্রীকে কী উপহার দেওয়া যায়, তা নিয়ে প্রায়ই জানতে চান। এ ক্ষেত্রে বছরের শুরুতেই পছন্দের উপহারের একটি তালিকা তৈরি করে রাখার পরামর্শ দেন মীরা। এতে স্বামীদের জন্যও বিষয়টি সহজ হয়। কারিনা মীরার এই পরামর্শকে বেশ ভালো বলে জানান।

এ ছাড়া নারীদের সঙ্গে তর্কের সময় পুরুষদের প্রথম কী করা উচিত, তা জানতে চান কারিনা।

মীরার সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘মেনে নাও। তর্ক কোরো না।’

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে বিয়ে করেন শহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুত। তাদের দুই সন্তান—মেয়ে মিশা ও ছেলে জেইন। অন্যদিকে ২০১২ সালে সাইফ আলী খানকে বিয়ে করেন কারিনা। তাদের দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ।

কারিনা ও শহিদ একসময় সম্পর্কে ছিলেন। ২০০৪ সালে তাদের সম্পর্ক শুরু হয় এবং ২০০৭ সালে বিচ্ছেদ হয়। পরে দুজনই নিজেদের জীবনে এগিয়ে গেছেন। এবার কারিনার শোতে শহিদের স্ত্রী মীরার উপস্থিতি তাই বিনোদন অঙ্গনে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।
বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি