২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্পিকারের কাছ থেকে চিঠি পেলে গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা: ইসি সচিব

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
স্পিকারের কাছ থেকে চিঠি পেলে গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা: ইসি সচিব


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিষয়ে স্পিকারের চিঠি পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি পাওয়ার বিধান রয়েছে। চিঠি পেলেই সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


গাজী নজরুল ইসলাম প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের ইসি সচিব বলেন, জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আগেই জানিয়েছে। তবে স্পিকারের কাছ থেকে আমরা এখনও কোনো চিঠি পাইনি। স্পিকারের চিঠি ছাড়া এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সরাসরি কোনো দায়িত্ব নেই।


এ সময় ইসি সচিবালয় ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) পরিবর্তনের কথাও জানান সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের কর্মীদের লেমিনেটেড কার্ডের বদলে প্রধান কার্যালয়ের মতো প্লাস্টিক কার্ড দেওয়া হবে। রাজস্ব, উন্নয়ন, আউটসোর্স কিংবা দৈনিক ভিত্তিক সব ক্যাটাগরির জন্যই এই নতুন কার্ড প্রযোজ্য হবে।


আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, কমিশন সভায় আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পরবর্তী কমিশন সভার তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই সভার দিনক্ষণ ঠিক করবেন বলেও জানান তিনি।


প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্পিকারকে জানিয়ে মরিয়মের বাবার করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। পরে আদালত আজ দুপুরে তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠান। এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত এই সংসদ সদস্যের পদ থাকবে কি না, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী— কোনো সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হয়। দল থেকে বহিষ্কার হলে সরাসরি সংসদ সদস্য পদ বাতিলের কোনো বিধান ৭০ অনুচ্ছেদে নেই।

কোনো সংসদ সদস্য ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ন্যূনতম ২ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং মুক্তি পাওয়ার পর ৫ বছর পার না হলে তিনি এমপি পদের যোগ্যতা হারাবেন। (কেবল গ্রেপ্তার বা রিমান্ডে গেলেই পদ যায় না, আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হয়ে দণ্ড হতে হয়)।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি