২৮ অক্টোবর ২০২৬

ঘনঘন মাথাব্যথা কেন হয়? জেনে নিন সম্ভাব্য কারণ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ এএম
ঘনঘন মাথাব্যথা কেন হয়? জেনে নিন সম্ভাব্য কারণ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: মানসিক চাপ, ঠান্ডা লাগা, প্রচণ্ড গরম—মাথাব্যথা নানা কারণে হতে পারে। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, চোখ থেকেও এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। মাইগ্রেন বা মানসিক চাপ ভেবে ভুল করবেন না। এর নেপথ্যে চোখের বড় কোনও সমস্যা থাকতে পারে। 

মাথাব্যথার কারণ আসলে চোখ। স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্গে চোখ ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। তাই চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়লেই মাথা যন্ত্রণা করে। ক্রমে তা ঘাড়, পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

চোখের যেসব সমস্যার জন্য মাথাব্যথা

১. পাওয়ারের সমস্যা: অ্যাস্টিগমাটিজম, দূরের জিনিস দেখতে সমস্যা কিংবা ৪০-এর পরে চালশে বা প্রেসবাইওপিয়া-র মতো সমস্যা থাকলে চোখের ভিতরের পেশিকে অন্যদের তুলনায় বেশি খাটতে হয়। এর ফলে কপালে ও ভুরুর উপরে একনাগাড়ে যন্ত্রণা থাকে।

২. কনভারজেন্স ইনসাফিসিয়েন্সি: পড়ার সময় বা স্ক্রিনে তাকানোর সময় দুটি চোখকেই ভিতরের দিকে ঘোরাতে হয়। পেশির সমন্বয় ঠিক না থাকলে মস্তিষ্ক দুটি অস্পষ্ট ছবিকে মেলাতে অতিরিক্ত কাজ করে, যার ফলে চোখের পিছনে ব্যথা হয়।

৩. ডিজিটাল আই স্ট্রেন: সারাক্ষণ ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখের পলক পড়ার হার মিনিটে ১৫-২০ বার থেকে কমে মাত্র ৫-৭ বার হয়ে যায়। ফলে চোখ শুষ্ক হয়ে যায় এবং দিনের শেষে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হয়।

৪. গ্লকোমা: চোখের প্রেশার হঠাৎ বেড়ে গেলে রগ ও চোখের কোটরে অসহ্য যন্ত্রণা হতে পারে। এর সঙ্গে বমি ভাব বা আলোর চারপাশে রঙিন বলয় দেখার উপসর্গ দেখা যায়।

মাথাব্যথার উৎস চোখ কি না, বুঝবেন যেভাবে

বিকেল বা সন্ধ্যায় কিংবা দীর্ঘক্ষণ বই পড়া বা ল্যাপটপে কাজ করার পর মাথা যন্ত্রণা শুরু হলে।

ব্যথাটি প্রধানত চোখের চারপাশে, চোখের পিছনে বা দুই ভুরুর মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলে।

অন্ধকার ঘরে ৩০ মিনিট চোখ বুজে বিশ্রাম নিলে যদি আরাম লাগে।

মাথাব্যথার সঙ্গে আবছা দৃষ্টি, চোখ জ্বালা করা বা ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হলেও সতর্ক থাকা উচিত।

এমন সমস্যা হলে একজন ভালো চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে চোখের পেশির সমন্বয়, রিফ্র্যাক্টিভ এরর, কর্নিয়ার স্বাস্থ্য এবং চোখের প্রেশার পরীক্ষা করা জরুরি।
বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি