৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামির টাকা গায়েবের অভিযোগ!

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামির টাকা গায়েবের অভিযোগ!
রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে আসামির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা পুলিশ গায়েব করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আসামির স্বজনদের দাবি, বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছিল ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে জব্দ তালিকায় পুলিশ টাকার অংক দেখিয়েছে মাত্র ১৩ হাজার ৪০ টাকা। অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যরা ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানা পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের বহরমপুর এলাকার মো. সেন্টুর বাড়িতে এ অভিযান চালায়। সেন্টু একজন মাদকসেবী বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। পুলিশ সেন্টুর সঙ্গে তার স্ত্রী মিতা পারভীনকেও গ্রেপ্তার করে। পরে ৩০ গ্রাম হেরোইন ও ১০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার দেখিয়ে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করে। এরপর বিকালে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। মিতা ও সেন্টুর স্বজনদের দাবি, মিতা বেসরকারী সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ির কাজ করছিলেন। বাড়িতে তার ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিল। পুলিশ এই টাকাও জব্দ করেছিল। কিন্তু মামলার জব্দ তালিকায় মাত্র ১৩ হাজার ৪০ টাকা দেখানো হয়েছে। বাকি টাকা অভিযানে অংশ নেওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল জলিল এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মজনু মিয়া আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ গ্রেপ্তারকৃতদের স্বজনদের। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাইলে কোন মন্তব্য করতে চাননি এএসআই মজনু মিয়া। তিনি কথা বলার জন্য থানায় ডাকেন। এসআই আবদুল জলিল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্বাক্ষীদের সামনে জব্দ তালিকা করা হয়েছে। সাক্ষীরা সবই দেখেছে। এসব অভিযোগ করে লাভ নেই। মামলায় তুষার ও কালাম নামের দুই নির্মাণ শ্রমিককে সাক্ষী করা হয়েছে। অভিযান চালানোর সময় তারা সেন্টুর বাড়িতেই কাজ করছিলেন। যোগাযোগ করা হলে তুষার বলেন, ঘর থেকে পুলিশ বেরিয়ে বলেছে হেরোইন ও ইয়াবা পাওয়া গেছে। তারপর কাগজে সই নিয়ে তাদের সাক্ষী করা হয়েছে। তবে হেরোইন ও ইয়াবা তিনি দেখেননি। কত টাকা উদ্ধার হয়েছে সেটিও পুলিশ দেখায়নি। এ ব্যাপারে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সেন্টু মাদক ব্যবসা করে। তার বাড়ি থেকে হেরোইন ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। যে টাকা উদ্ধার হয়েছে সেটিই জব্দ তালিকায় দেখানো হয়েছে। আসামির স্বজনেরা এখন ১ লাখ ৩০ হাজার কেন, পাঁচ কোটি টাকা বলতে পারে। তারা এ কারণে বলছে যেন পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানকে বিতর্কিত করা যায়। তাহলে আর অভিযান হবে না। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি